মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট, ২০২৬
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে ভয়াবহ সামরিক হামলার মুখোমুখি হতে যাচ্ছিল ইরান। সবকিছু চূড়ান্ত, ঠিক তখনই কয়েকটি আরব দেশ ও খোদ তেহরানের অনুরোধে শেষ মুহূর্তে সেই হামলা স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র। চরম উত্তেজনার মাঝে এবার নতুন বোমা ফাটালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, চলমান আলোচনার প্রথম ধাপ হিসেবে আগামীকালই খুলে যেতে পারে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি।
সোমবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের মধ্যস্থতায় তেহরানের অনুরোধেই এই আলোচনা চলছে। ট্রাম্পের ভাষ্য, প্রথম ধাপে হরমুজ উন্মুক্ত করার পর দ্বিতীয় ধাপে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি ধ্বংস করা হবে। এটিই তাদের চুক্তিতে সই করার ‘শেষ সুযোগ’। তা না হলে তেহরানকে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করতে হবে।
‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এর এক পোস্টে ইরানি নেতাদের ‘ভয়ংকর প্রতারক’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান গোপনে অনুনয় করলেও প্রকাশ্যে আলোচনা অস্বীকার করছে।
বাস্তবে ইরানি মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কথা প্রত্যাখ্যান করে ওমানের সঙ্গে নতুন নৌপথের সমঝোতাকে কেবল কারিগরি পদক্ষেপ বলেছেন।
উল্লেখ্য, এদিন ওভাল অফিসে মার্কিন সেনা সদস্যদের পরিবারকে সহায়তার লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ‘প্রেসিডেনশিয়াল মিলিটারি স্পাউস কমিশন’ গঠনের একটি নির্বাহী আদেশে সই করেন ট্রাম্প। মূলত এই আদেশে সই করার পরপরই সাংবাদিকদের সামনে ইরান ইস্যুতে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
