সোমবার, ০১ জুন, ২০২৬
ইরান কর্তৃক মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার জবাবে দেশটির রাডার এবং ড্রোন নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে ‘আত্মরক্ষামূলক’ বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত সপ্তাহান্তে ইরানের গোরুক এবং কেশম দ্বীপে এই হামলা চালানো হয় বলে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
তেহরানের ‘আগ্রাসী’ কর্মকাণ্ডের প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি মার্কিন প্রশাসনের।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় নিয়োজিত একটি মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছিল ইরান। এর জবাবে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো তাৎক্ষণিক পাল্টা অ্যাকশনে যায় এবং ইরানি বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, একটি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন ও দুটি ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন ধ্বংস করে। এই অভিযানে কোনো মার্কিন সামরিক কর্মী হতাহত হননি বলেও নিশ্চিত করেছে সেন্টকম।
উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যে এই ধরনের সংঘাত এবারই প্রথম নয়। এর আগের সপ্তাহেও তারা একে অপরের ওপর হামলা চালিয়েছিল। ওয়াশিংটনের একজন কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের একটি ড্রোন অপারেশন লক্ষ্য করে মার্কিন সামরিক বাহিনী হামলা চালানোর পর, ইরানও পাল্টা হিসেবে একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। সর্বশেষ এই বিমান হামলার পর ওই অঞ্চলে দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
