অবশেষে ভারতের ভিসা পেলেন ইংল্যান্ডের দুই ক্রিকেটার

 মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে অবশেষে ইংল্যান্ডের দুই ক্রিকেটারকে ভিসা দিয়েছে ভারত সরকার। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হওয়ায় যেসব ক্রিকেটারের ভিসা প্রক্রিয়া জটিলতায় পড়েছিল, তাদের মধ্যে সবার আগে ভিসা পেলেন রেহান আহমেদ ও আদিল রশিদ।

এর আগে জানা যায়, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হওয়ায় বিভিন্ন দেশের প্রায় ৪২ জন ক্রিকেটার ও কর্মকর্তাকে ভিসা দিতে বিলম্ব করছিল ভারত। বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) কিছুটা চাপের মুখে পড়লেও সংস্থাটি আশ্বাস দিয়েছিল, টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী সবাই যেন সময়মতো ভিসা পান, সে বিষয়ে তারা সহায়তা করবে।

গত সপ্তাহের শেষ দিকে জানা যায়, ইংল্যান্ড দলের বাকি সদস্যরা ভিসা পেলেও রেহান আহমেদ ও আদিল রশিদ ভিসা ক্লিয়ারেন্সের অপেক্ষায় ছিলেন। অবশেষে তাদের ভিসা ইস্যু হওয়ায় ইংল্যান্ড শিবিরে স্বস্তি ফিরেছে। আইসিসি আশা প্রকাশ করেছে, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত বা পাকিস্তানের নাগরিক অন্য খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ ও কর্মকর্তাদের ভিসা প্রক্রিয়াও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার একাধিক পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার ভারতীয় ভিসা পেতে বিলম্বের মুখে পড়েছেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র দলের ক্রিকেটার আলি খানের একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ভারতীয় ভিসা না পাওয়ার অভিযোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়।

ভারত ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ। বর্তমানে সেই সম্পর্ক আরও নিম্ন পর্যায়ে থাকায় পাকিস্তানি নাগরিক কিংবা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূতদের জন্য ভারতীয় ভিসা পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। এমনকি ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নিতে ভারত সফরের আগে পাকিস্তান জাতীয় দলকেও স্বল্প সময়ের জন্য ভিসা জটিলতায় পড়তে হয়েছিল।

আইসিসি সূত্র জানায়, কানাডা, নেদারল্যান্ডস, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ইংল্যান্ড, ইতালি, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র দলের পক্ষ থেকে মোট ৪২টি ভিসা আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে নেদারল্যান্ডস ও কানাডার খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের ভিসা ইতোমধ্যেই ইস্যু করা হয়েছে।

আগামী সপ্তাহের শুরুতে ইউএই, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বাংলাদেশ ও কানাডা দলের সদস্যদের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ দলের ক্ষেত্রে কোচিং স্টাফে থাকা সাবেক পাকিস্তানি স্পিনার মুশতাক আহমেদের ভিসাও এই প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছে।

Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *